কিশোরগঞ্জের নিকলীতে চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া থাকায় বট জাতীয় পাট চাষে কৃষকরাও খুশি। ফলন ভালো হলেও পাটের দাম পাবে কি না সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নয় চাষীরা।
এখনও সরকারের পক্ষ থেকে পাটের দাম নির্ধারণ না হওয়ায় স্থানীয় বাজারে কৃষকরা পাট বিক্রি করছেন মণপ্রতি সর্বোচ্চ ৪০০০ টাকা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে এই মৌসুমে নিকলীতে প্রায় ২৭০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়। মোট উৎপাদিত এসব পাটের বেশিরভাগই বট জাতীয় পাট।
স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে পাট চাষে প্রতি শতকে ২৮০-৩২০ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। উর্ধ্বগতির বাজারমূল্যে পাট কাটার শ্রমিকের মূল্যও প্রতিদিন ৬০০-৮০০ টাকা পর্যন্ত। ফলন ভালো হলেও খরচ বাদে কাঙ্খিত মুনাফা পাবেন কি না সে নিয়ে দুশ্চিন্তারও কারণ আছে বলে জানান পাঁচরুখী গ্রামের পাট চাষী দেলোয়ার হোসেন।

নিকলীতে ইতোমধ্যেই পাট কাটা হয়েছে, আঁশ ছাড়ানো ও শুকানোর কাজও আগাম চাষীরা সম্পন্ন করেছে। গ্রামে গ্রামে বাড়ছে মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের দৌড়াত্ম্য। সরকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন বাজারমূল্য না থাকায় বাধ্য হয়েই বিভিন্ন দামে পাট বিক্রি করছেন কৃষকরা। কম দামে পাট কিনে মজুদ করছেন মধ্যস্বত্ত্বভোগী ব্যবসায়ী, মজুতদার ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম হাওরকণ্ঠকে বলেন, এ বছর ২৭০ হেক্টর জমিতে বেশিরভাগই বট পাট চাষ হয়েছে। সরকার এখনও পর্যন্ত পাটের দাম নির্ধারণ করেনি। স্থানীয় বাজারে ৪০০০টা মণপ্রতি পাট বিক্রি করছেন কৃষকরা।




By
By













