লক্ষীপুরের দালালবাজার থেকে রায়পুর বাজার পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার সড়কের আরেক নাম মৃত্যুফাঁদ। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন এ সড়কে যান চলাচল করতে হয় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। যে কোন উল্টে যেতে পারে যানবাহন। ঘটতে পারে মরণঘাতি দুর্ঘটনা। দীর্ঘদিনের এ বেহাল দশা দেখার যেনো কেউ নেই।
দিন যাচ্ছে আর বাড়ছে চরম ভোগান্তি। গাড়ির চাকার ঘর্ষণে ছোট ছোট গর্তগুলোও পরিণত হচ্ছে মৃত্যুফাঁদে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় দালালবাজার এলাকা থেকে মীরগঞ্জ পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার সড়কের প্রায় পুরোটিরই ভগ্নদশা।
এ সড়কে প্রতিদিন এক লাখেরও বেশি মানুষ রামগঞ্জ ও সদর উপজেলায় যাতায়াত করেন। ভগ্ন এ সড়কের চলাচল করেন আশপাশের ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। ছোট বড় ৪টি বাজারও আছে সড়কটির দুপাশে। কখনো ধুলোবালি আর কখনো জলকাদা মাড়িয়ে চলতে হয় এ সড়কে।
সড়কের পিচ উঠে বেরিয়ে গেছে কার্পেট। হেলেদুলে চলছে ছোট বড় সব ধরণের যানবাহন। স্থানীয়দের অভিযোগ, চার বছর আগে সড়কটি মেরামত করা হলেও কাজের মান নিম্নমানের হওয়ায় কয়েক মাসের মধ্যেই তা ভেঙে যায়।
সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিতে হলে পড়তে হয় বিপাকে। স্থানীয় শিক্ষার্থী মিজান আহমেদ বলেন , ‘রাস্তায় প্রায়ই গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা হয়। গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনায় বই-খাতা নষ্ট হয়। গাড়ি ঠিকমতো না চলায় অনেক সময় স্কুলে যেতেও দেরি হয়।’















